চুল পড়া রোধের কিছু কার্যকরী টিপস

চুল পড়া রোধের কিছু কার্যকরী টিপস


চুল যখন পড়তে শুরু করে তখন আমাদের কষ্টের আর শেষ থাকে না।সাধারণভাবেই প্রতিদিন কিছু না কিছু চুল ঝরে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিদিন একশ’টা চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
চুল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মাথায় নতুন চুলও গজায়। তবে যদি চুল যদি বেশি পরিমাণে পড়ে, অর্থাৎ চুল পড়ার হার যদি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয় তাহলে তা শঙ্কার কথা। কাজেই চুল বেশি পড়লে বিষয়টিতে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।
নানা কারণেই আমাদের মাথার চুল পড়ে।  চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হলে, অ্যানিমিয়া থাকলে, মানসিক স্ট্রেস-টেনশন, চুলে খুশকি, বড় কোন অসুখে ভুগলে, বেশি মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেলে ইত্যাদি নানা কারণেই চুল ঝরে পড়ে। ফলে মাথার চুল পাতলা হয়ে যায়।
চুল পড়া রোধ করতে প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কী কারণে আপনার চুল পড়ছে। কারণটা খুঁজে বের করে আগে সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তখন আপনা-আপনিই চুল পড়া বন্ধ হবে।
চুল পড়া রোধ করতে হলে অবশ্যই এর কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা প্রয়োজন। নিজে নিজে চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিচে চুল পড়া রোধের কিছু  টিপস দেওয়া হলো-

১।ধূমপান ত্যাগ করুন।এর কারনে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় , রক্ত নালিকাগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয় । এর কারনে চুল পড়া বেড়ে যায় এবং চুল বাদামি বর্ণ ধারন করে ।

২। অতিরিক্ত চা বা কফি পান করবেন না। চা বা কফিতে ক্যাফেইন থাকে যা সকল প্রকার চুল ও স্কিনের সমস্যার জন্য দায়ী, তাই মাত্রাতিরিক্ত চা, কফি পান করবেন না।

৩। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় শরীরে আয়রনের অভাবে চুল পড়ে। আয়রনের অভাবে আমাদের দেহে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা কমে যায়, যা আমাদের চুলের গোড়ার (হেয়ার ফলিকল) জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি তাই হয়, তাহলে প্রচুর পরিমাণে লাল শাক, কচুশাক খেতে হবে।

৪। ভিটামিন-ই চুল পড়া রোধে ও নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী, তাই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ ফলমূল ও শাকসবজি খান। ভিটামিন-ই চুলের ত্বকে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয় যা চুল বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে এটি চুল পড়া রোধ করে।

ভিটামিন-ই এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকারক ফ্রি র‌্যাডিকেল অপসারণের মাধ্যমে স্কিনকে সুরক্ষিত রাখে। নাশপাতি, বাদাম ও জলপাই তেলে প্রচুর ভিটামিন-ই থাকে। অন্যদিকে ভিটামিনের সর্বোৎকৃষ্ট প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে গম, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সবজি, ডিম প্রভৃতি।

৫। স্বাস্থ্যকর খাবার বা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শুধু যে চুল শক্ত করে তা নয়, চুল গজাতেও সহায়তা করে। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবারও পরিহার করুন।

৬। ওমেগা- থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড চুল পড়া রোধে খুব কার্যকর। সাধারণত বিশেষ ধরনের মাছে এই উপাদানটি থাকে। তবে আমাদের দেশে এসব স্যামন, ম্যাকারেল মাছ পাওয়া যায় না। প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড তিসির তেলে পাওয়া যায়। আর এই তেল পাবেন স্থানীয় বাজারেই। মনে রাখবেন, এই তিসির তেল কিন্তু মাথায় লাগানোর জন্য নয় অথবা রান্নায় ব্যবহার করার জন্যও নয়। প্রতিদিন ২ চা চামচ তিসির তেল সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। তাহলেই আপনার চুল পড়া অনেক কমে আসতে পারে। এছাড়া প্রচলিত চুল সুরক্ষার তেল ব্যবহার করার মাধ্যমেও চুলের প্রতি যত্নশীল হোন।

৭। নতুন চুল গজাতে উদ্দীপনা দেবার জন্য প্রতি সপ্তাহে চুলের ত্বক ম্যাসেজ করুন।

৮। চুলে অপ্রয়োজনীয় ঘষা-মাঝা, অতিরিক্ত আচরানো পরিহার করুন। গরম পানি, ড্রায়ার বা এমন কিছু ব্যবহার করবেন না যা চুলে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে।

৯। চুলকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।

১০। পর্যাপ্ত ঘুমান এবং বিশ্রাম নিন, কেননা ঘুম ও বিশ্রাম নতুন চুল গজানো ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়তা করে।

টিপস

** চুল পড়া বন্ধ করতে ভিটামিন ই ক্যাপসুল খান অথবা ই ক্যাপ নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে চুলে লাগান। ক্যাস্টর অয়েল তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন।চুল পরা কমে যাবে।

**যেসব চুলের গোরা চটচটে ও উপরিভাগ রুক্ষ সেসব চুল সাধারনত মিশ্র প্রকৃতির চুল।এরকম চুলে সপ্তাহে অন্তত 3 দিন শ্যাম্পু করুন ও কন্ডিশনার ব্যাবহার করুন।শ্যাম্পুর আগে কুসুম গরম তেলে লেবুর রস মিশিয়ে হালকা মাসাজ করে নিবেন।চুল ভাল থাকবে।
চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এই ৫ টি বিষয় মেনে চলুন

চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এই ৫ টি বিষয় মেনে চলুন


চুল পড়া রোধে ঘরোয়া পদ্ধতি

চুল পড়া রোধে ঘরোয়া পদ্ধতি

চুল পড়া খুব সাধারণ একটি সমস্যা। ছেলে মেয়ে উভয় এই সমস্যার মধ্যে পড়ে থাকেন। চুল একবার পড়া শুরু হলে তা বাড়তে থাকে। অনেকের এই চুল পড়ার পরিমাণ এত বেশি থাকে যে মাথার একপাশ খালি হয়ে টাক পড়ে যায়। সাধারণত বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রতিদিন ১০০টা চুল পড়া স্বাভাবিক। এর বেশি পড়লে সেটি চিন্তার কারণ। বিভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। তার মধ্যে অন্যতম কিছু কারণ হল; # বংশগত # হরমোনের পরিবর্তন # ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া # মানসিক দুশ্চিন্তা # গর্ভবস্থায় অনেক সময় চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায় # আয়রনের অভাব #.

চিরতরে চুল পড়া বন্ধ করার ২ টি প্রাকৃতিক উপায়

চিরতরে চুল পড়া বন্ধ করার ২ টি প্রাকৃতিক উপায়

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: চুল নিয়ে সব চাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা। বিশেষ করে এই বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা অনেক বেড়ে যায়। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার সহসা চুল শুকাতে না চাওয়ার কারণে চুলের গোঁড়া নরম হয়ে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া ছোট্ট দু’টি সমাধান জেনে নিন।
১. নারকেলের দুধ :
নারকেলের দুধ চুলের ভেতর থেকে চুলকে মজবুত করতে সহায়তা করে। চুলের সঠিক ন্যারিশমেন্টের জন্য নারকেল দুধের বিকল্প নেই। এছাড়াও নারকেলের দুধ ডিপ কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।
– প্রথমে নারকেল কুরিয়ে নিন। এরপর এই কোরানো নারকেল ব্লেন্ডারে বা গ্রাইন্ডারে অথবা পাটায় বেটে নিন ভালো করে।
– এরপর পিষে বা বেটে নেয়া নারকেল একটি পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে রেখে চিপে ভালো করে নারকেলের দুধ বের করে নিন। (নারকেলের দুধ বের করার পর নারকেল ফেলে না দিয়ে চিনি বা গুঁড় মিশিয়ে মিষ্টি খাবারে ব্যবহার করতে পারেন
– প্রয়োজনে প্রতিদিন এই নারকেলের দুধ চুলের গোঁড়ায় ভালো করে ম্যাসেজ করে নেবেন। অতিরিক্ত চুল পড়তে থাকলে প্রতিদিন ব্যবহার করুন, যদি অতিরিক্ত না হয় তাহলে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করলেই ভালো ফল পাবেন।

২. মেহেদী, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই :
মেহেদীর নির্যাস চুলের জন্য অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর, ডিম মাথার ত্বকে সঠিক পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে এবং চুলের ফলিকল মজবুত করে। টকদই চুল ও মাথার ত্বক ময়েসচারাইজ করে চুল পড়া Hair fall বন্ধে সহায়তা করে।

– মেহেদী পাতা বাটা বা গুঁড়ো চুলের ঘনত্ব ও লম্বা অনুযায়ী নিন, এতে মেশাম ১ টি ডিমের সাদা অংশ এবং ২-৩ টেবিল চামচ টকদই।

– যদি চুল অনেক শুষ্ক হয় তাহলে ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল দিয়ে ভালো করে হেয়ার প্যাক তৈরি করে নিন।

– এই প্যাকটি চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং প্রায় ২ ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন।

– এরপর সাধারণ ভাবে চুল ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। যদি প্রথম দিন চুল পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে ১ দিন এভাবেই রেখে তার পরের দিন শ্যাম্পু করতে পারেন তাহলে সব চাইতে ভালো ফলাফল পাবেন।

– এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে মাত্র ১ বার ব্যবহার করলেই চুল পড়া অনেকাংশে কমে যাবে।

ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

লিঙ্গভেদে নয়, বিশ্বের সকলের কম বেশি চুলের নানা সমস্যায় ভোগেন। আপনার যদি দৈনিক ১০০ টি চুল পড়ে তবে চিন্তার তেমন কারণ নেই কিন্তু সচেতন থাকা ভালো।বিভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। যেমন – খনিজের অভাব, দুঃশ্চিন্তা, জিনের সমস্যা, বিভিন্ন ঔষধ সেবন, দূষণের শিকার ও খাদ্যাভাস। চুল পড়া বন্ধের ঔষধ কোনভাবেই চুল পড়া বন্ধের উপায় হতে  পারে না।

কিন্তু চুল পড়া সমস্যাটি যদি পুরুষের হয় তবে আরো একটি কারণ যুক্ত হবে। আর তা হল ক্যাপ বা হেলমেটের ব্যবহার।

পুরুষদের চুল পড়া রোধে করনীয় এবং চুল পড়া বন্ধের উপায়   নিয়েই কথা বলবো আজ
১। Usage of Mild Shampoo for Daily Hair Wash (দৈনিক হালকা ধরণের শ্যাম্পুর ব্যবহার) :


চুল পড়া কমাতে বা চুলের যেকোনো সমস্যা দূর করতে হলে প্রথমেই চুল পরিষ্কার করতে হবে আর তার জন্য প্রতিদিন হালকা ধরণের শ্যাম্পু ব্যবহার করা খুব ভালো। এতে করে চুলের ক্ষতি হয় না। এছাড়াও প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহারে স্কাল্পের আর্দ্রতা কমে যেয়ে খুশকি সমস্যা হতে পারে তাই উচিত হালকা ধরণের ভালো মানের কোনো শ্যাম্পু ব্যবহার করা।

চুল পরিষ্কার রাখলে চুলের সৌন্দর্যে আপনার সৌন্দর্য আরো অনেকগুন বেড়ে যাবে।

২। Increase Vitamin Intake (বেশি বেশি ভিটামিন গ্রহন) :


ভিটামিন শুধুমাত্র আমাদের শরীরের জন্যই ভালো না আমাদের চুলের জন্যও ভালো। বিশেষ করে ভিটামিন এ সেবাম তৈরি করে স্কাল্পের সুস্থতা বজায় রাখে। ভিটামিন ই রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে যার ফলে নতুন চুল উঠে। আবার ভিটামিন বি আপনার চুলকে বিবর্ণতার হাত থেকে রক্ষা করে।

৩। Include Proteins in Diet (খাদ্য তালিকায় আমিষ রাখুন) :


মাছ, মাংস, সয়া এবং অন্যান্য যেকোনো আমিষ আপনার চুলের জন্য খুব ভালো। এগুলো আপনার চুল পড়া কমাতে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

৪। Use Essential Oils to Massage (ম্যাসাজের জন্য প্রয়োজনীয় তেল ব্যবহার করুন) :


যারা চুল পড়া ও চুলের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে চিন্তিত তারা কয়েক মিনিটের জন্য সপ্তাহে ২ – ৩ বার মাথায় ভালো মানের কোনো তেল ম্যাসাজ করুন। যেমন – তিলের তেল, বাদাম তেল ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো আপনার চুলের ফলিকলগুলোকে কর্মক্ষম রাখতে সহায়তা করবে।

নতুন চুল গজানোর উপায়ঃচুল ঘন করার উপায় হচ্চে ক্যাস্টর অয়েল।

আপনার কি চুল পড়ে যেতে শুরু করেছে? টাক ঢাকতে ক্যাস্টর ওয়েল
৫। Do Not Comb On Wet Hair (ভেজা চুল আঁচড়াবেন না) :


ভেজা অবস্থায় আপনার চুলের গোড়া নরম ও দূর্বল থাকে যার ফলে তখন যদি চুল আঁচড়ান তবে চুল বেশি পড়বে এবং চুলের শক্তিও কমে যাবে। যদি আপনার খুব প্রয়োজন হয় তবে এমন চিরুনি ব্যবহার করুন যা অনেক প্রশস্ত এবং চিরুনির এক দাঁতের পর অন্য দাঁতের মাঝে বেশ ফাঁকা ফাঁকা। আপনার ভেজা চুলে যদি কোনো জট থেকে থাকে তবে অবশ্যই তা হাত দিয়ে খুলে নিবেন।

৬। Onion, Ginger or Garlic Juice (পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের রস) :


চুল পড়া রোধে পেয়াজ, আদা ও রসুনের রসের যেকোনো একটি সারারাত লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে। এটি যদি আপনি প্রতিদিন বা সপ্তাহে একবার করেন তবে চুলের নানাবিধ সমস্যায় আপনি খুব ভালো ফলাফল দেখতে পাবেন।
৭। Increase Water Quantity (বেশি পরিমাণে পানি পান করুন) :
আমাদের প্রতিটি চুলের গোড়ায় প্রায় এক – চতুর্থাংশ পানি রয়েছে। তাই আপনার চুলের সুস্থতা ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে প্রতিদিন প্রায় ৪ – ৮ গ্লাস পানি পান করুন।



৮। Green Tea (সবুজ চা) :
একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, সবুজ চা চুলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দেয়। এক কাপ পানিতে সবুজ চায়ের দুইটি টি ব্যাগ দিয়ে পানি ফুটান। এইবার এই ফুটানো পানি ঠান্ডা করে চুলে লাগিয়ে এক ঘন্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। এর কার্যকরী ফলাফল আপনি নিয়েই বুঝবেন। তবে এক সপ্তাহ প্রায় প্রতিদিন আপনাকে এটি ব্যবহার করতে হবে।

৯। Identify Bad Things For Hair (চুলের জন্য খারাপ জিনিস সনাক্ত করা) :
চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে হলে আপনাকে অবশ্যই চুলের যত্ন নেওয়ার সাথে সাথে আপনার চুলের জন্য কোন কোন জিনিস খারাপ তা জানতে হবে। যেমন – চুল শুকানোর জন্য চুলে বার বার তোয়ালে ব্যবহার না করে চুল খোলা রেখে এমনিতেই শুকাতে দিন। এতে করে আপনার চুলের গোড়ায় আঘাত পড়বে না।



১০। Steer Clear From Alcohol (অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন) :
অ্যালকোহল আপনার চুলের বৃদ্ধিতে বিঘ্ন ঘটায়। চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে হলে অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন।

১১। No Smoking (ধূমপান করবেন না) :
সিগারেট আপনার স্কাল্পে রক্ত সঞ্চালনে বাঁধা দেয় যার ফলে চুলের বৃদ্ধি হ্রাস পায়।

চুলের বৃদ্ধিতে ও চুল গজাতে ক্যাস্টর অয়েলের উপকারিতা এবং ব্যবহার

১২। Compulsory Exercise (আবশ্যকীয় ব্যায়াম) :
প্রতিদিন অন্তত আধা ঘন্টার জন্য ব্যায়াম বা শরীর চর্চা (হাটা, সাতার) করা প্রত্যকের জন্য আবশ্যক। এটা আপনার হরমোনের ভারসাম্যতা রক্ষা করে, আপনাকে চিন্তা মুক্ত রাখবে এবং আপনার চুল পড়া কমাতে সহায়তা করবে।

১৩। Fight Stress (ঝগড়া বিবাদের মানসিক চাপ) :
পুরুষদের বেশিরভাগই মানসিক চাপ বা দুঃশ্চিন্তা থেকেই চুল পড়ে। তাই এগুলো কমাতে হবে। আর কমানোর জন্য ইয়োগা, মেডিটেশন খুব উপকারী। এতে করে হরমোনের ভারসাম্যতা রক্ষা পায়।

১৪। Avoid Constant heating & drying (চুল তাপ দেয়া থেকে বিরত থাকুন) :
চুল সোজা করার জন্য বা চুল শুকানোর জন্য ইলেকট্রিক কিছু দিয়ে তাপ দেওয়া থেকে একদম বিরত থাকুন। এতে চুলের প্রোটিনের ক্ষয় হয় যার ফলে চুল পড়ে যায়।

আমলকীর রস চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী

আমলকীর রস চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী

আমলকীর রস চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি ফল । আমি নিজেও এই চুলপড়া সমস্যায় ভুগছিলাম । আমলকী ব্যবহার করে ভালো উপকার পেয়েছি । সপ্তায় ৩ দিন ১ মাস ব্যবহার করুন আশা করি ভালো ফলাফল পাবেন। এছাড়া মাঝে মাঝে চুলের গোঁড়ায় পেয়াজের রস লাগাতে পারেন । এতে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে । কিছু বিষয় মেনে চলুন ঃ ১) চুল কখনো বেশিক্ষণ ভিজিয়ে রাখবেন না । ২) অধিক গরম বা ঠাণ্ডা পানি লাগাবেন না । ৩) ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খান বেশি বেশি । ৪) নিজের চিরুনি নিজে ব্যবহার করুন । ৫) অধিক রাত জাগবেন না । ৬) অধিক পরিমানে শ্যাম্পু বা সাবান দিবেন না । ৭) মাথায় ঘাম হলে মুছে ফেলুন । ৮) চুলে কখনো হিটার দিয়ে তাপ দিবেন না এতে চুল একসময় নষ্ট হয়ে যাবে ।

মেয়েদের চুল পড়া রোধে খাদ্যাভ্যাস

মেয়েদের চুল পড়া রোধে খাদ্যাভ্যাস

০১. প্রোটিনঃ
পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন – আমাদের চুল মূলত কেরাটিন দিয়ে গঠিত। এটি অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। তাই নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন। সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন। তবে নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।
০২. আয়রন আর জিঙ্কঃ
আয়রন আর জিঙ্ক আপনার মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে নিতে সহায়তা করবে আর নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষয়রোধে সহায়তা করবে। পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক নতুন এবং দ্রুত চুল গজানোর জন্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান।
০৩. ভিটামিন সিঃ
পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক।
০৪. কালোজিরাঃকালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।
কিছু সাধারণ যত্নঃ
০১. নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা এবং আঁচড়ানো। কিন্তু অতিরিক্ত আঁচড়ানো চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়।
০২. পেঁয়াজ এর রস চুলের গোড়ায় গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখুন | নিয়মিত ব্যবহার করলে নতুন চুল গজাবে।
০৩. মেহেদি পাতা কিছু দিন ঘন ঘন ব্যবহার করুন। পাতা বেটে লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
০৪. শুকনা আমলকি পানিতে ভিজিয়ে লাগাতে পারেন।
০৫. খাটি কালো জিরা তেল বা নির্যাস বেশি বেশি ব্যবহার করতে পারেন।
০৬।  মধু ও দারচিনি মিশ্রন করে মাথায় খালী যায়গায় লাগালে চুল গজাতে সাহায্য করবে।
কথায় বলে যতনে রতন মেলে। নিয়মিত যত্ন নিন, পদ্ধতিগুলো মেনে চলুন। দেখবেন আপনার মাথায় নতুন চুল গজাতে শুরু করেছে।
আশা করি, আপনার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর পেয়েছেন।
সুস্থ থাকবেন, সুন্দর থাকবেন...।।এই প্রত্যাশায়.....................
চুল পড়ে যাচ্ছে অথবা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে-এমন সমস্যা অনেকেরই। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দুটি কাজ করতে হবে।

চুল পড়ে যাচ্ছে অথবা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে-এমন সমস্যা অনেকেরই। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দুটি কাজ করতে হবে।

বয়স বাড়ার কারণে অথবা বংশগত বা পরিবেশের প্রভাবে আমাদের চুল পড়ে যেতে থাকে। এ কারণে আমাদের মন তো খারাপ হয়ই, আবার মনে হয় যদি কৈশোরের মতো চুল আবার হতো কোনো ভাবে। আমাদের মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পে যদি আমরা উদ্দীপনা দিতে পারি, তাহলে মাথায় নতুন চুল গজানো সম্ভব। প্রতিটি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালনের ব্যবস্থা রয়েছে। এটাকে যদি বাড়ানো যায়, তাহলেও নতুন চুল গজানো সম্ভব।
প্রথম পদ্ধতিঃ
প্রথম পদ্ধতি হলো ম্যাসাজ করা। নিয়মিত ম্যাসাজ করতে হবে। এতে করে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং স্ক্যাল্প উদ্দীপিত হবে। এক টেবিল চামচ ভিটামিন ই নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে থাকুন। ভিটামিন ই চুলের জন্য প্রয়োজনীয় নিউট্রিশন এর যোগান দেয়। ভিটামিন ই এর সাথে চা এর নির্যাস যোগ করতে পারেন। এই দুটো ভালো ভাবে মিশিয়ে হাতের তালু এবং আঙ্গুলের সাহায্যে পুরো মাথার চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগিয়ে নিন। ৫-৬ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিন। চুলগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে সম্পূর্ণ চুল আঁচড়ে নিন।
কিছুক্ষণ পর সাধারণ ভাবে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুল গজানোর জন্য দিনে ৩ বার ম্যাসাজ করতে হবে এই নিয়মে। কিন্তু বারবার শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হবে।
দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ
চুলের গোঁড়ায় হেয়ার ফলিকল থাকে। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে যদি ফলিকল উদ্দীপিত করা যায় তবে নতুন চুল গজানো সম্ভব। বাজারে ভাইব্রেটিং ম্যাসেজার কিনতে পাওয়া যায়। এর সাহায্যে আপনি স্ক্যাল্পে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথায় ভাইব্রেটিং ম্যাসাজ নিতে পারেন। যে জায়গায় বেশি চুল পড়ে যাচ্ছে, তাতে বেশি মনোযোগ দিন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট আপনার স্ক্যাল্প ভাইব্রেট করুন।  ভালো ফল পেতে এটাও আপনাকে দিনে ৩ বার করতে হবে।
তৃতীয় পদ্ধতিঃ
এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে যেটা আপনার স্ক্যাল্পের মৃত কোষগুলো ঝরে যেতে সাহায্য করবে। এই মৃত কোষগুলো স্ক্যাল্পের ফলিকল ব্লক করে রাখে, যে কারণে নতুন চুল গজাতে পারে না। কেননা তখন স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ়ের মত করে লাগিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।  এটা দিনে একবার করতে হবে।
চতুর্থ পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতি হল মেডিকেশন। চুলের জন্য ওষুধ। অনেক গবেষণার পর ফেনাস্টেরাইড আর মিনোক্সিডিল নামের দুটো ওষুধ চুল গজানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। দুটি ওষুধের-ই সাইড ইফেক্ট আছে। মিনোক্সিডিল এর দুইটা কনসেনট্রেশন পাওয়া যায়। ২% আর ৫%। ২% মিনোক্সিডিল মেয়েদের জন্য আর ৫% মিনোক্সিডিল ছেলেদের জন্য। এটা বাজারে জেনোগ্রো নামে পাওয়া যায়। স্প্রে করে মাথার স্ক্যাল্পে দিতে হয়। এছাড়া  চুল গজানোর জন্য আরও কিছু প্রোডাক্ট এই লিঙ্কে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন।
এই পদ্ধতি ছাড়াও আপনাকে খাদ্যাভ্যাস আর কিছু সাধারণ যত্ন নিতে হবে।


আগে চুল পড়া রোধ করতে হবে

আগে চুল পড়া রোধ করতে হবে

আসলে চুল পড়তে থাকলে তা আবার গজানোর সম্ভাবণা তেমন নেই । আগে চুল পড়া রোধ করতে হবে । নানা রকম তেল না মেখে সবসময় একই তেল মাথায় দিতে হবে । তাতেও যদি চুল পড়া না থামে তবে মাথায় তেল মাখা বন্ধ করে দিতে হবে । খাঁটি তেলের সাথে ভিটামিন 'ই' ক্যাপসুল মিশিয়ে নিলে টাক মাথায় কিছুটা চুল গজাতে পারে । স্বাভাবিক উপায়ে মাথায় চুল গজানো সম্ভব হলে দুনিয়াতে কারো টাক থাকতো না । বর্তমানে মেশিনের সাহায্যে মাথায় চুল গজানো সম্ভব হচ্ছে , তবে তা খুবই খরচ সাপেক্ষ ।

পেয়াজ এর রস

পেয়াজ এর রস

চুল পরা বন্ধ করতে হলে পেয়াজ এর রস চুলের গোড়ায় গোড়ায় ভালো করে লাগায় ১০ মিনিট রাখুন l নিয়মিত ব্যবহার করলে অবস্যই নতুন চুল গজাবে খুসকি থাকলে সেটাও কমবে l মাসে ২ বার হেনা করুন l হেনা করতে হেনা,১ টা ডিম,চায়ের লিকার,লেবুর রস,মেথির গুড়া একসাথে মিক্স 

এক’শ টা চুল পড়া কি স্বাভাবিক

এক’শ টা চুল পড়া কি স্বাভাবিক

রতিদিন এক’শ টা চুল পড়া নাকি স্বাভাবিক। কিন্তু কে আর গুনে রাখে। তবে এটা ঠিক, চুল সবার-ই পড়ে, কারও কম-কারও বেশি। এই চুল পড়া সমস্যা থেকে বাচাঁর জন্য প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কী কারণে আপনার চুল পড়ছে। কারণটা খুজে বের করে, তারপর সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তখন আপনা-আপনিই চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। নানা কারণে আমাদের মাথার চুল পড়ে থাকে। যেমন- চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন না হলে, অ্যানিমিয়া থাকলে, স্ট্রেচ-টেনশনে থাকলে, চুলে খুশকি হলে, বড় কোন অসুখে ভুগলে। আর যেকোনো কারণেই চুল পড়ুক না কেন কিছু নিয়ম মেনে চললে সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। নিন্মে কিছু নিয়ম দেওয়া হলঃ 01. সপ্তাহে একদিন অন্তত ডিমের কুসুমের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অলিব অয়েল মিশিয়ে পুরো চুলে লাগান। এক ঘন্টা পর চুল শ্যাম্পু করে নিন। 02. নারিকেল তেলের সাথে দারুচিনি গুড়া করে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করলেও চুল পড়া বন্ধ হয়। 03. ঘুমানোর আগে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে হালকাভাবে চুল আচড়ে নেবেন। এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন হয়ে থাকে। 04. আমলকি ও জবাফুল নারকেল তেলে ফুটিয়ে বোতলে ভরে রাখুন। শ্যাম্পু করার আগে ওই তেলে চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করেন। 05. সবুজ সাকসবজি ফলমূল বেশি খান। 06. বেশি করে প্রোটিনযুক্ত খাবার ও প্রচুর পানি পান করুন।

কী কী কারণে চুল পড়ে

কী কী কারণে চুল পড়ে

অ্যান্ড্রোজেনের কারণে চুল পড়া: অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন যেমন টেস্টোস্টেরন, অ্যান্ড্রোস্ট্রেনডিয়ন, ডিএইচটি হরমোনগুলো সাধারণত পুরুষের বেশি ও মহিলাদের কম পরিমাণে থাকে। এ হরমোনগুলো হেয়ার ফলিকলের ওপর কাজ করে ও চুল পড়া ত্বরান্বিত করে। সে কারণে পুরুষের চুল বেশি পড়ে। তবে সবারই যে পড়বে তা নয়, যাদের এসব হরমোনের প্রভাব বেশি তাদের বেশি করে চুল পড়ে। পুরুষের চুল পড়া বা টাক পড়া সাধারণত ২০ বছর থেকেই শুরু হতে পারে। এটিকে বলে মেল প্যাটার্ন অব হেয়ার লস বা পুরুষালি টাক। অর্থাৎ কপাল থেকে শুরু করে পেছন দিকে চুল উঠতে থাকে। মহিলাদের মেনোপজের সময় ও পরে অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোনগুলো আনুপাতিক হারে বেড়ে যায়, তখন চুল বেশি করে পড়তে শুরু করে। তবে এ ক্ষেত্রে ফিমেল প্যাটার্ন অব হেয়ার লস হয়ে থাকে। শুধু কপালের দিক থেকে নয়, চুল পড়া শুরু হয় পুরো মাথা থেকেই। ধীরে ধীরে চুলের ঘনত্ব কমে যায়। অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোনই মেয়েদের চুল পড়া ও ছেলেদের টাকের সবচেয়ে বড় কারণ। স্ট্রেস বা মানসিক চাপ: দুশ্চিন্তায় ভুগলে বা মানসিক সমস্যা থাকলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে চুল পড়তে পারে। তবে এ চুল পড়া সাময়িক এবং পুনরায় চুল গজায়। তবে দীর্ঘদিন মানসিক দুশ্চিন্তায় থাকলে বা দুশ্চিন্তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে অনেক বেশি চুল পড়ে যেতে পারে।দৈনিক ১০০টা পর্যন্ত চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়ে বেশি পড়লে তা অবশ্যই উদ্বেগের কারণ। বালিশ, তোয়ালে বা চিরুনিতে লেগে থাকা চুল গুনতে চেষ্টা করুন। অন্তত পরপর তিন দিন। অথবা অল্প এক গোছা চুল হাতে নিয়ে হালকা টান দিন। যদি গোছার চার ভাগের এক ভাগ চুলই উঠে আসে তবে তা চিন্তার বিষয়। চিকিৎসা ওষুধের মাধ্যমে: বাজারে চুল পড়া রোধের জন্য মিনোক্সিডিল নামের ওষুধ পাওয়া যায়। এটি যেখান থেকে চুল পড়ছে সেখানে লাগাতে হবে। এটি নারী ও পুরুষ উভয়েই ব্যবহার করতে পারেন। এতে কাজ না হলে অন্য চিকিৎসা নিতে হবে। লেজার থেরাপি এলএইচটি: লেজার থেরাপি হেয়ার ফলিকলগুলোকে আবার সজীব করে। এমনিতে প্রতিদিনই চুল পড়ে ও নতুন চুল গজায়। কিন্তু বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনো অসুস্থতার ফলে যে পরিমাণ চুল পড়ে যায়, সেই পরিমাণ গজায় না। লেজার থেরাপি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ৫৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় ও ফলিকলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে।

চুল পড়া বন্ধ করার সাথে সাথে বেশি করে নতুন চুল গজানো

চুল পড়া বন্ধ করার সাথে সাথে বেশি করে নতুন চুল গজানো

দুটি পদ্ধতির কথা বলবো আমি যা উপকারী---- চুলের গোঁড়ায় হেয়ার ফলিকল থাকে। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে যদি ফলিকল উদ্দীপিত করা যায় তবে নতুন চুল গজানো সম্ভব। বাজারে ভাইব্রেটিং ম্যাসেজার কিনতে পাওয়া যায়। এর সাহায্যে আপনি স্ক্যাল্পে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথায় ভাইব্রেটিং ম্যাসাজ নিতে পারেন। যে জায়গায় বেশি চুল পড়ে যাচ্ছে, তাতে বেশি মনোযোগ দিন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট আপনার স্ক্যাল্প ভাইব্রেট করুন। ভালো ফল পেতে এটাও আপনাকে দিনে ৩ বার করতে হবে। আরেকটি পদ্ধতি হল মেডিকেশন । চুলের জন্য ওষুধ। অনেক গবেষণার পর ফেনাস্টেরাইড আর মিনোক্সিডিল নামের দুটো ওষুধ চুল গজানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। দুটি ওষুধের-ই সাইড ইফেক্ট আছে। মিনোক্সিডিল এর দুইটা কনসেনট্রেশন পাওয়া যায়। ২% আর ৫%। ২% মিনোক্সিডিল মেয়েদের জন্য আর ৫% মিনোক্সিডিল ছেলেদের জন্য। এটা বাজারে জেনোগ্রো নামে পাওয়া যায়। স্প্রে করে মাথার স্ক্যাল্পে দিতে হয়।খাদ্যাভ্যাসঃ ০১. প্রোটিনঃ পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন – আমাদের চুল মূলত কেরাটিন দিয়ে গঠিত। এটি অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। তাই নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন। সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন। তবে নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। ০২. আয়রন আর জিঙ্কঃ আয়রন আর জিঙ্ক আপনার মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে নিতে সহায়তা করবে আর নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষয়রোধে সহায়তা করবে। পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক নতুন এবং দ্রুত চুল গজানোর জন্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান। ০৩. ভিটামিন সিঃ পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক। ০৪. কালোজিরাঃ কালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।এই পদ্ধতি ছাড়াও আপনাকে খাদ্যাভ্যাস আর কিছু সাধারণ যত্ন নিতে হবে। 

HOODLES

Gumbo beet greens corn soko endive gumbo gourd. Parsley shallot courgette tatsoi pea sprouts fava bean collard greens dandelion.

JACKETS & SUIT

Gumbo beet greens corn soko endive gumbo gourd. Parsley shallot courgette tatsoi pea sprouts fava bean collard greens dandelion.

SPORT SHOES

Gumbo beet greens corn soko endive gumbo gourd. Parsley shallot courgette tatsoi pea sprouts fava bean collard greens dandelion.

 
Created By SoraTemplates | Distributed By Gooyaabi Templates